রাজশাহীর বাঘায় মুকুলে ছেয়ে গেছে আম গাছ। উপজেলা জুড়ে সোভা পাচ্ছে চোখ জুড়ানো আম গাছের মুকুল। উপজেলার আম গাছের নিচে দিয়ে গেলে মুকুলের গন্ধে মন ভরে উঠছে। গাছে মুকুলে দেখে চাষীদের মন খুশিতে ভরে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আমের বাম্পার ফলন হবে। আড়ানীর আম উৎপাদনকারী শফিকুল ইসলাম বলেন, গাছে যে পরিমান মুকুল এসেছে, এর ২৫ ভাগ টিকে থাকলে গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়বে। প্রতিটি গাছে প্রচুর পরিমান মুকুল এসেছে। গোচর গ্রামের মজবুল হোসেন বলেন, এলাকার প্রতিটি মানুষের আম গাছ রয়েছে। যে ব্যক্তি অন্যের জমিতে বসবাস করে সেও বাড়ির আঙ্গিনায় একটি গাছ লাগিয়েছেন। সে সব গাছেও প্রচুর পরিমানে মকুল এসেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লা সুলতান বলেন, অল্প সময়ে মধ্যে আমের ফলন পাওয়া যায়। মাত্র ২-৩ বছরের মধ্যে গাছে আম আসে শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে আম পাওয়া যায়। এ উপজেলার মাটি আম চাষের জন্য খুব উপযোগী। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ও প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে আম বাগান থেকে আশানুরূপ ফলন হবে। মে-জুলাই তিন মাস গাছে আম পাওয়া যায়। গাছে যে পরিমান মুকুল এসেছে, আবহাওয়া ভাল থাকায় উৎপাদন ভাল হবে। উপজেলায় ৮ হাজার ৮৯৬ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এদিকে ১০ বছর থেকে আম বিশ্বের ১০টি দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এবারও রপ্তানি করা হবে।
আম গাছে মুকুল দেখে খুশি চাষিরা



Leave a Reply